প্রকাশিত: Tue, May 7, 2024 11:42 AM
আপডেট: Tue, Apr 28, 2026 12:11 AM

এই বর্ষণকে ডেঙ্গুবর্ষণও বলতে পারেন!

সাইফুদ্দিন আহমেদ নান্নু : এবারের শীতে এবং টানা দাবদাহে একটি বিষয় খেয়াল করেছি। বিষয়টি হলো মশাচরিত্র। শীতে  মশার উৎপাত সাধারণত ভালভাবে কমে যায়। কিন্তু অন্যবারের তুলনায় এবার বেশি শীতেও মশারা দমে যায়নি। তাদের অত্যাচার প্রায় স্বাভাবিকই ছিল। অথচ এই একই মশা এবারের টানা দাবদাহে বলতে গেলে নাই হয়ে গিয়েছিল। এই নাই হয়ে যাবার মূল কারণ পলিথিন, চিপসের প্যাকেট, ডাবের খোঁসা, অলস মালিকের ছাদবাগানের টব, ছোটখাটো অজস্র গর্ত, যেখানে সেখানে ফেলে দেয়া পাত্রের পানি তীব্র রোদে বাষ্প হয়ে যাওয়াতে মশার বংশ বিস্তারের উৎসগুলি কাজ করেনি। গত দুতিন দিন ধরে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টিপাত হয়েছে। কটা দিন অপেক্ষা করুন মশার তাণ্ডব কাকে বলে টের পাওয়া যাবে। 

আমি ঢাকার মতো নোংরা শহরে বৃষ্টি-বর্ষণকে বলি ডেঙ্গুবর্ষণ। জমিনে ডেঙ্গুর বীজ বপন করা হয়ে গেছে। 

এখন ফসলের বাম্পার ফলন হবে। দমকা বাতাসসহ ভারীবর্ষণ ভালো, ওতে ডেঙ্গুর লার্ভা ভেসে যায় আর পরিণত বয়সের মশাদের পাখনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়, উড়তে পারে না। সবচেয়ে খারাপ একপশলা বৃষ্টি। এই বৃষ্টি ডেঙ্গুসারথী। মনে রাখবেন, মশামারার দায়িত্ব যাদের তারা গ্রেট বাটপার, অথর্ব, চোর এবং চাপাবাজ। এদের উপর ভরসা করে বসে থাকবেন তো মরবেন। ৬-৫-২৪। ফেসবুক থেকে